ভারতে জ্বরের সেরা ঔষধ: জ্বরের ঔষধের নামের তালিকা, অ্যান্টিবায়োটিক এবং সম্পূর্ণ চিকিৎসা নির্দেশিকা
আমাদের অনেকেরই মাঝে মাঝে জ্বর হয়। সাধারণত এটি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা সক্রিয় হওয়ার বা কোনো সংক্রমণ কিংবা শরীরের ভেতরের সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করার একটি স্বাভাবিক লক্ষণ।
জ্বরের সময় শরীরের তাপমাত্রা ৯৮.৬°F (৩৭°C) থেকে বেড়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে কাঁপুনি, অতিরিক্ত ঘাম, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা বা দুর্বলতাও দেখা দিতে পারে।
জ্বর কমাতে প্যারাসিটামল এবং আইবুপ্রোফেন সাধারণত ব্যবহৃত হয়। দুটি ওষুধই ভিন্নভাবে কাজ করে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক মাত্রায় নামাতে সাহায্য করে। প্রাপ্তবয়স্কদের জ্বরের ক্ষেত্রে এগুলো বহুল ব্যবহৃত ওষুধ।
ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে হওয়া জ্বর কিছুটা আলাদা। এই ধরনের ক্ষেত্রে সাধারণ জ্বর কমানোর ওষুধ মূল সংক্রমণের চিকিৎসা করতে পারে না। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীর অ্যামক্সিসিলিন, অ্যাজিথ্রোমাইসিন বা সেফিক্সিমের মতো জীবাণুনাশক ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে।
জ্বর কমাতে কোন ওষুধ আপনার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে এবং এই সময়ে কোন সাধারণ বিষয়গুলো মনে রাখা জরুরি, তা জানতে এই লেখাটি পড়ুন।
জ্বর কী?
জ্বর হলো সংক্রমণ, অসুস্থতা বা শরীরে প্রদাহের বিরুদ্ধে শরীরের একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। সাধারণত শরীরের তাপমাত্রা ৩৮°C (১০০.৪°F) বা তার বেশি হলে তাকে জ্বর বলা হয়।
তবে জ্বরের তাপমাত্রা ব্যক্তিভেদে এবং তাপমাত্রা মাপার পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।
শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার এই প্রক্রিয়াটি মস্তিষ্কের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী কেন্দ্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার মতো ক্ষতিকর জীবাণু শনাক্ত করলে এই কেন্দ্র তার প্রতিক্রিয়ায় শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
জ্বরের সাধারণ লক্ষণ
শরীর স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি গরম লাগা এবং কাঁপুনি হওয়া জ্বরের প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে অন্যতম। জ্বরের এই লক্ষণগুলোর মধ্যে থাকতে পারে:
- শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া
- কাঁপুনি বা শীত শীত ভাব
- অতিরিক্ত ঘাম হওয়া
- মাথাব্যথা
- শরীর বা পেশিতে ব্যথা
- দুর্বলতা বা ক্লান্তি
- খিদে কমে যাওয়া
- অস্বাভাবিকভাবে গরম বা ঠান্ডা লাগা
জ্বরের সাধারণ কারণ
জ্বর অনেক সময় শরীরের কোনো সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার লক্ষণ। নিচের অবস্থাগুলোতে এটি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা দিতে পারে:
- ভাইরাসের সংক্রমণ (সর্দি, ফ্লু ইত্যাদি), যার কারণে ভাইরাসজনিত জ্বর হতে পারে
- ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ
- ঋতু পরিবর্তন ও বাইরের বিভিন্ন কারণ
- শরীরে প্রদাহজনিত সমস্যা
- ম্যালেরিয়া বা ডেঙ্গুর মতো রোগ
- কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ ও টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
জ্বরের সাধারণ ওষুধের নাম
জ্বর কমানোর জন্য আমরা সাধারণত চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই পাওয়া যায় এমন জ্বর কমানোর ওষুধ ব্যবহার করি, যেমন প্যারাসিটামল, আইবুপ্রোফেন, অ্যাসপিরিন এবং ন্যাপ্রোক্সেন।
জ্বর এবং জ্বরের সঙ্গে হওয়া অস্বস্তি কমাতে এগুলো সাধারণভাবে ব্যবহৃত ওষুধের মধ্যে পড়ে।
জ্বরের সময় শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গেলেও আপনার ঠান্ডা লাগতে পারে, ফলে শরীরে অস্বস্তি তৈরি হয়।
সঠিক জ্বরের ওষুধ বেছে নেওয়া এই অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
জ্বর কমানোর জন্য নিচের ওষুধগুলোর নাম সাধারণভাবে পরিচিত:
|
ওষুধের নাম |
কী কাজে ব্যবহার করা হয় |
|
প্যারাসিটামল |
জ্বর কমাতে এবং হালকা থেকে মাঝারি ব্যথা উপশম করতে |
|
আইবুপ্রোফেন |
সাধারণত জ্বর, ব্যথা ও শরীরের প্রদাহ কমাতে ব্যবহার করা হয় |
|
অ্যাসপিরিন |
উপযুক্ত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যথা ও জ্বর কমাতে ব্যবহার করা হয় |
|
ন্যাপ্রোক্সেন |
ব্যথা, শরীরের প্রদাহ ও জ্বর কমাতে সাহায্য করে |
ভারতে জ্বরের জন্য সেরা ট্যাবলেটের তালিকা
জিল্যাব ফার্মেসি বিশ্বস্ত জেনেরিক উপাদানে তৈরি বিভিন্ন কার্যকর ও সাশ্রয়ী জ্বরের ওষুধ সরবরাহ করে।
এই জ্বরের ট্যাবলেটগুলো জ্বর কমাতে, শরীরের ব্যথা উপশম করতে এবং মাথাব্যথা ও শরীরে প্রদাহের মতো জ্বরের সঙ্গে দেখা দেওয়া সমস্যাগুলো সামলাতে সাহায্য করে।
নিচে জিল্যাব ফার্মেসিতে পাওয়া যায় এমন জ্বরের জন্য সাধারণভাবে ব্যবহৃত কয়েকটি ট্যাবলেটের নাম দেওয়া হলো:
|
ট্যাবলেটের নাম |
উপাদান |
|
প্যারাজেক্স ৫০০ |
প্যারাসিটামল (৫০০ মিলিগ্রাম) |
|
প্যারাজেক্স এক্সটি ৬৫০ |
প্যারাসিটামল (৬৫০ মিলিগ্রাম) |
|
আইবুপ্রল ২০০ |
আইবুপ্রোফেন (২০০ মিলিগ্রাম) |
|
আইবুপ্রল ৪০০ |
আইবুপ্রোফেন (৪০০ মিলিগ্রাম) |
|
আইবুপ্রল প্লাস |
আইবুপ্রোফেন (৪০০ মিলিগ্রাম) + প্যারাসিটামল (৩২৫ মিলিগ্রাম) |
প্যারাজেক্স ৫০০ ট্যাবলেট
প্যারাজেক্স ৫০০ প্রাপ্তবয়স্কদের জ্বরের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে ব্যবহৃত একটি ট্যাবলেট। এতে ৫০০ মিলিগ্রাম প্যারাসিটামল রয়েছে, যা ব্যথা কমাতে এবং জ্বর নামাতে শরীরের সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ায় কাজ করে।
- উপাদান: প্যারাসিটামল (৫০০ মিলিগ্রাম)
- উপকারিতা: শরীরের তাপমাত্রা কমাতে এবং হালকা থেকে মাঝারি ব্যথা উপশম করতে সাহায্য করে।
প্যারাজেক্স এক্সটি ৬৫০ ট্যাবলেট
প্যারাজেক্স এক্সটি ৬৫০ তুলনামূলক বেশি মাত্রার প্যারাসিটামলযুক্ত একটি জ্বরের ট্যাবলেট, যা জ্বর কমাতে সাহায্য করে। প্যারাসিটামল মস্তিষ্কে শরীরের তাপমাত্রা বাড়ানোর জন্য পাঠানো সংকেত কমাতে সাহায্য করে।
- উপাদান: প্যারাসিটামল (৬৫০ মিলিগ্রাম)
- উপকারিতা: জ্বর কমাতে এবং হালকা থেকে মাঝারি ব্যথা উপশম করতে সাহায্য করে।
আইবুপ্রল ২০০ ট্যাবলেট
আইবুপ্রল ২০০ ট্যাবলেটে আইবুপ্রোফেন রয়েছে, যা প্রদাহ কমানোর ওষুধের একটি শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। এটি প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিনের কার্যকলাপ কমিয়ে ব্যথা, শরীরে প্রদাহ এবং জ্বর কমাতে সাহায্য করে। তাই জ্বর ও শরীর ব্যথার ক্ষেত্রে এটি সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয়।
- উপাদান: আইবুপ্রোফেন (২০০ মিলিগ্রাম)
- উপকারিতা: জ্বর কমাতে এবং হালকা থেকে মাঝারি ব্যথা উপশম করতে সাহায্য করে।
আইবুপ্রল ৪০০ ট্যাবলেট
৪০০ মিলিগ্রাম আইবুপ্রোফেন দিয়ে তৈরি আইবুপ্রল ৪০০ একটি কার্যকর জ্বরের ট্যাবলেট। এটি শরীরে অতিরিক্ত জ্বর, তীব্র ব্যথা এবং প্রদাহের সঙ্গে যুক্ত প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিনের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
- উপাদান: আইবুপ্রোফেন (৪০০ মিলিগ্রাম)
- উপকারিতা: জ্বর, ব্যথা এবং শরীরে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
আইবুপ্রল প্লাস ট্যাবলেট
আইবুপ্রল প্লাস জ্বর ও শরীরের ব্যথা কমাতে ব্যবহৃত একটি ওষুধ। এতে আইবুপ্রোফেন ও প্যারাসিটামল—দুটি জ্বর কমানোর ও ব্যথা উপশমকারী উপাদান রয়েছে। এটি জ্বর কমানোর পাশাপাশি শরীরে প্রদাহ ও ব্যথা উপশম করতে সাহায্য করে।
- উপাদান: আইবুপ্রোফেন (৪০০ মিলিগ্রাম) + প্যারাসিটামল (৩২৫ মিলিগ্রাম)
- উপকারিতা: জ্বর কমাতে এবং ব্যথা উপশম করতে সাহায্য করে।
জ্বরের জন্য কি জীবাণুনাশক ওষুধের প্রয়োজন হয়?
ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণেও জ্বর হতে পারে। সাধারণ জ্বর কমানোর ওষুধ শরীরের ভেতরে থাকা এই সংক্রমণের মূল কারণের চিকিৎসা করে না।
সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় ও শারীরিক পরীক্ষা করার পর জ্বরের মূল কারণ অনুযায়ী উপযুক্ত জীবাণুনাশক ওষুধ চিকিৎসক দিতে পারেন।
গলার ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ, মূত্রনালির সংক্রমণ, ব্যাকটেরিয়াজনিত নিউমোনিয়া বা টাইফয়েডের মতো সমস্যায় প্রায়ই জ্বর হতে পারে। জীবাণুনাশক ওষুধ সরাসরি জ্বর কমানোর জন্য নয়, বরং সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়।
ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে হওয়া জ্বরে সাধারণত ব্যবহৃত কিছু জীবাণুনাশক ওষুধ হলো:
- অ্যামক্সিসিলিন
- অ্যাজিথ্রোমাইসিন
- সেফিক্সিম
- ডক্সিসাইক্লিন
- লেভোফ্লক্সাসিন
- সিপ্রোফ্লক্সাসিন
- মেট্রোনিডাজল
মনে রাখবেন: ভাইরাসের কারণে হওয়া জ্বরে জীবাণুনাশক ওষুধ খেলে উপকার পাওয়া যায় না, কারণ ভাইরাসের ওপর এই ওষুধগুলো কাজ করে না। জীবাণুর সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়ার পর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ীই এই ধরনের ওষুধ খাওয়া উচিত। অপ্রয়োজনীয়ভাবে ব্যবহার করলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে এবং জীবাণুর ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে পারে।
আরও পড়ুন: জ্বরের জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধ
জ্বরের ওষুধের সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
চিকিৎসকের পরামর্শ সঠিকভাবে মেনে জ্বরের ওষুধ খেলে সাধারণত তা নিরাপদে ব্যবহার করা যায়। তবে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে কয়েকটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে সাধারণ কিছু হলো:
- বমি বমি ভাব বা পেটে অস্বস্তি
- মাথা ঘোরা
- মাথাব্যথা
- অতিরিক্ত ব্যবহারে যকৃতের ক্ষতি
- ত্বকে প্রতিক্রিয়া বা অ্যালার্জি (বিরল ক্ষেত্রে)
- রক্তপাতজনিত সমস্যা
জ্বরের ওষুধ খাওয়ার সময় কাদের বেশি সতর্ক থাকা উচিত?
কিছু মানুষের বেশি জ্বরের ওষুধ খাওয়ার আগে অতিরিক্ত সতর্কতা প্রয়োজন। নিচের কোনো সমস্যা থাকলে চিকিৎসক বা ওষুধ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করুন:
- যকৃত বা কিডনির সমস্যা থাকলে
- পেটে ঘা বা পরিপাকতন্ত্রে রক্তপাতের পূর্ব ইতিহাস থাকলে
- হৃদরোগ বা উচ্চ রক্তচাপ থাকলে
- রক্ত পাতলা করার ওষুধ বা একসঙ্গে একাধিক ওষুধ খেলে
- গর্ভবতী হলে বা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ালে
- কোনো শিশু বা বয়স্ক ব্যক্তিকে জ্বরের ওষুধ দিলে
- আগে কোনো ব্যথার ওষুধ খেয়ে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া হয়ে থাকলে
জ্বর হলে কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত?
হালকা জ্বরের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই পাওয়া জ্বরের ওষুধ ব্যবহার করে সাময়িকভাবে উপশম পাওয়া যেতে পারে। তবে কিছু লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। যেমন:
- জ্বর খুব বেশি হলে বা দীর্ঘ সময় ধরে থাকলে।
- জ্বর কয়েক দিন ধরে থাকলে, যেমন ৩ দিন ধরে জ্বর থাকা, অথবা বারবার জ্বর ফিরে এলে।
- শ্বাস নিতে কষ্ট হলে বা বুকে ব্যথা হলে।
- তীব্র মাথাব্যথা, বিভ্রান্তি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা অস্বাভাবিক ঘুমঘুম ভাব দেখা দিলে।
- শরীরে তীব্র ফুসকুড়ি বা ঘাড় শক্ত হয়ে গেলে।
- বারবার বমি হলে বা শরীরে পানিশূন্যতার লক্ষণ দেখা দিলে।
- খুব ছোট শিশুর বা আগে থেকেই গুরুতর কোনো অসুস্থতা থাকা ব্যক্তির জ্বর হলে।
- ডেঙ্গু বা ম্যালেরিয়ার মতো রোগের সন্দেহ হলে।
উপসংহার
জ্বর একটি সাধারণ শারীরিক সমস্যা এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সঠিকভাবে যত্ন নিলে এটি নিরাপদে সামলানো যায়।
জ্বরের কারণ বোঝা, উপযুক্ত জ্বরের ওষুধ বেছে নেওয়া এবং সঠিক নিয়মে ওষুধ ব্যবহার করা অস্বস্তি কমাতে এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে সাহায্য করতে পারে।
ভারতে, প্যারাসিটামল এবং আইবুপ্রোফেন জ্বরের জন্য ব্যবহৃত ওষুধ, তবে এগুলো সবসময় সঠিক মাত্রায় এবং ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে ব্যবহার করা উচিত।
ওষুধের পাশাপাশি পর্যাপ্ত বিশ্রাম, পর্যাপ্ত জল পান এবং বাড়িতে সঠিক যত্ন নেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। জ্বর দীর্ঘস্থায়ী হলে, খুব বেশি হলে বা অস্বাভাবিক কোনো লক্ষণের সঙ্গে দেখা দিলে নিরাপদ ও সময়মতো সঠিক চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
Table of Contents
Frequently Asked Questions (FAQs)
Ans.প্যারাসিটামল এবং আইবুপ্রোফেন প্রাপ্তবয়স্কদের জ্বর কমাতে বহুল ব্যবহৃত ওষুধ। কোনটি আপনার জন্য উপযুক্ত হবে তা শারীরিক অবস্থা, উপসর্গ এবং চিকিৎসকের পরামর্শের ওপর নির্ভর করে।
Ans.প্রাপ্তবয়স্কদের শরীরের তাপমাত্রা প্রায় ১০৩°F (৩৯.৪°C) বা তার বেশি হলে সাধারণত তাকে বেশি জ্বর হিসেবে ধরা হয় এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
Ans.না। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে ১০১°F (৩৮.৩°C) তাপমাত্রাকে সাধারণত হালকা থেকে মাঝারি জ্বর হিসেবে ধরা হয়, বেশি জ্বর হিসেবে নয়।
Ans.প্রচুর জল পান করুন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন, আরামদায়ক পোশাক পরুন এবং ওষুধের নির্দেশনা বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী উপযুক্ত জ্বর কমানোর ওষুধ ব্যবহার করুন।
Ans.হ্যাঁ, অনেক হালকা জ্বরের ক্ষেত্রে মূল অসুস্থতা ভালো হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জ্বর নিজে থেকেই কমে যেতে পারে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, জল পান এবং শরীরের অবস্থার দিকে নজর রাখা সুস্থ হয়ে উঠতে সাহায্য করে।
Ans.হ্যাঁ, সঠিকভাবে ব্যবহার করলে আইবুপ্রোফেন জ্বর কমাতে পারে এবং একই সঙ্গে জ্বরের সঙ্গে থাকা ব্যথা ও শরীরের প্রদাহ উপশম করতে সাহায্য করে।
Ans.হ্যাঁ। প্যারাসিটামল এবং আইবুপ্রোফেনের মতো ওষুধ জ্বর কমানোর পাশাপাশি মাথাব্যথা, পেশিতে ব্যথা এবং শরীরের ব্যথা উপশম করতে সাহায্য করতে পারে।
Ans.কিছু ক্ষেত্রে আইবুপ্রোফেন ও প্যারাসিটামল একসঙ্গে খাওয়া যেতে পারে। তবে এই দুটি ওষুধ একসঙ্গে আপনার জন্য উপযুক্ত কি না, তা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক বা ওষুধ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
Ans.জ্বরের জন্য একটি নির্দিষ্ট জীবাণুনাশক ওষুধকে সবার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বলা যায় না। জীবাণুনাশক ওষুধ জ্বরের চিকিৎসা করে না; এগুলো নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় এবং সঠিক রোগ নির্ণয়ের পর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া উচিত।
Ans.শুধু উপসর্গ দেখে ভাইরাসজনিত ও ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বরের পার্থক্য সবসময় বোঝা যায় না। কারণ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসক শারীরিক পরীক্ষা, আগের অসুস্থতার তথ্য এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন পরীক্ষা করতে পারেন।
Ans.জ্বর কত দিন থাকবে তা তার কারণের ওপর নির্ভর করে। সংক্রমণের কারণে হওয়া অনেক জ্বর কয়েক দিনের মধ্যে কমে যায়। তবে জ্বর দীর্ঘস্থায়ী হলে বা বাড়তে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার।
Ans.শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়া, কাঁপুনি ও ঘাম কম হওয়া, শরীরে শক্তি ফিরে আসা, খিদে বাড়া এবং অন্যান্য উপসর্গ ধীরে ধীরে কমে যাওয়া জ্বর থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার লক্ষণ হতে পারে।
Ans.জ্বরের ওষুধ সাময়িকভাবে শরীরের তাপমাত্রা কমাতে পারে, কিন্তু জ্বরের মূল কারণের চিকিৎসা নাও করতে পারে। বারবার জ্বর ফিরে আসার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে এবং এর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা দরকার হতে পারে।
Ans.জ্বর দীর্ঘস্থায়ী হলে বা খুব বেশি হলে, শ্বাস নিতে কষ্ট হলে, বিভ্রান্তি দেখা দিলে, তীব্র মাথাব্যথা হলে, শরীরে পানিশূন্যতার লক্ষণ দেখা দিলে, ত্বকে ফুসকুড়ি হলে অথবা উপসর্গ ক্রমশ বাড়তে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
Parazex XT ট্যাবলেটে রয়েছে প্যারাসিটামল ৬৫০ মিগ্রা। এটি ব্যথা উপশম করতে এবং জ্বর কমাতে সাহায্য করে। কার্যকর ব্যথা ও জ্বর উপশমের জন্য Zeelab Pharmacy থেকে প্যারাসিটামল ৬৫০ ট্যাবলেট কিনুন।
10 Tablets In 1 Strip
Parazex 500 ট্যাবলেটে রয়েছে প্যারাসিটামল 500 মিগ্রা। এটি ব্যথা উপশম করতে এবং জ্বর কমাতে কার্যকরভাবে সাহায্য করে। সেরা দামে Zeelab Pharmacy থেকে Parazex 500 ট্যাবলেট কিনুন।
10 Tablets In 1 Strip
আইবুপ্রল প্লাস ট্যাবলেট (আইবুপ্রেন ৪০০ মিগ্রা + প্যারাসিটামল ৩২৫ মিগ্রা): দাম, ব্যবহার, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, ডোজ। ব্যথা, জ্বর এবং প্রদাহ কমাতে ব্যবহৃত হয়।
10 Tablets In 1 Strip
Parazex 500 ট্যাবলেটে রয়েছে প্যারাসিটামল ৫০০ মিগ্রা। এটি ব্যথা উপশম করতে এবং জ্বর কমাতে কার্যকরভাবে সাহায্য করে। সেরা দামে Zeelab Pharmacy থেকে Parazex 500 ট্যাবলেট কিনুন।
20 tablets in 1 strip
আইবুপ্রল ৪০০ ট্যাবলেট (আইবুপ্রোফেন ৪০০ মিগ্রা) ব্যথা উপশমের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। জিল্যাব ফার্মেসি থেকে আইবুপ্রল ৪০০ ট্যাবলেট কিনুন।
10 Tablets In 1 Strip
আইবুপ্রল ২০০ ট্যাবলেট ব্যথা, জ্বর, মাথাব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা এবং প্রদাহজনিত অস্বস্তি থেকে উপশমের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ব্যথানাশক ও প্রদাহনাশক ওষুধের শ্রেণিতে পড়ে।
10 Tablets In 1 Strip
Recent Blogs
References
- https://www.nhs.uk/symptoms/fever-in-adults/
- https://www.nhs.uk/medicines/paracetamol-for-adults/
- https://pmc.ncbi.nlm.nih.gov/articles/PMC2083239/
- https://www.nhs.uk/symptoms/fever-in-children/
- https://www.gloshospitals.nhs.uk/your-visit/patient-information-leaflets/fever-advice-children-and-young-people/
Disclaimer : Zeelab Pharmacy provides health information for knowledge only. Do not self-medicate. Always consult a qualified doctor before starting, stopping, or changing any medicine or treatment.





Added!