facebook


ভারতে মাসিকের ব্যথার জন্য সেরা ওষুধ: পেটের খিঁচুনি কমানোর ওষুধের নাম ও চিকিৎসার নির্দেশিকা

Medicine for Period Cramps in india Medicine for Period Cramps in india

মাসিক শুরু হওয়ার আগে বা চলাকালীন পেটের নিচে ব্যথা হওয়া খুবই সাধারণ। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই ব্যথাকে মাসিকজনিত ব্যথা বলা হয়। প্রায় ৪৩% নারী প্রতি মাসিক চক্রে এই ধরনের ব্যথা অনুভব করেন।

মাসিকের সময় জরায়ু সংকুচিত হওয়ার কারণে এই ব্যথা হয়। কারও ক্ষেত্রে ব্যথা হালকা ও সহনীয় থাকে, আবার কারও ক্ষেত্রে ব্যথা বেশি হতে পারে এবং কাজ, পড়াশোনা, ঘুম বা দৈনন্দিন কাজকর্মে সমস্যা তৈরি করতে পারে। 

এমন পরিস্থিতিতে মাসিকের ব্যথার ওষুধ বা ব্যথা কমানোর ওষুধ অস্বস্তি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।

আইবুপ্রোফেন, মেফেনামিক অ্যাসিড এবং ন্যাপ্রোক্সেন মাসিকের ব্যথা ও পেটের খিঁচুনি কমাতে সাধারণত ব্যবহার করা হয় এবং ব্যথা উপশমে সাহায্য করতে পারে। তবে কোন ওষুধ আপনার জন্য উপযুক্ত, তা নির্ভর করে আপনার উপসর্গ, শারীরিক অবস্থা, অ্যালার্জি এবং আপনি অন্য কোনো ওষুধ খাচ্ছেন কি না তার ওপর। 

এই নির্দেশিকায় আপনি মাসিকের ব্যথায় ব্যবহৃত সাধারণ ওষুধ, কীভাবে ব্যথা কমানোর ওষুধ কাজ করে, কীভাবে নিরাপদে সেবন করতে হয়, সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং ওষুধ ছাড়া মাসিকের ব্যথা কমানোর কিছু উপায় সম্পর্কে জানতে পারবেন।

মাসিকের সময় পেটে ব্যথা কী?

মাসিকের সময় পেটের নিচে বা পিঠের নিচের দিকে ধকধকে, স্পন্দনশীল বা ব্যথাযুক্ত অনুভূতি হতে পারে। কারও ক্ষেত্রে মাসিক শুরু হওয়ার কয়েক দিন আগেই ব্যথা শুরু হতে পারে এবং কখনও কখনও তা উরু ও পিঠের নিচের অংশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

মাসিকের ব্যথা সাধারণত দুই ধরনের হয়:

  • প্রাথমিক মাসিকজনিত ব্যথা: মাসিকের সময় জরায়ুর পেশি সংকুচিত হওয়ার কারণে হওয়া একটি সাধারণ ধরনের ব্যথা।
  • দ্বিতীয় ধরনের মাসিকজনিত ব্যথা: শরীরের অন্য কোনো সমস্যার কারণে হওয়া মাসিকের ব্যথা, যেমন জরায়ুর অভ্যন্তরীণ স্তর অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া বা জরায়ুতে মাংসপিণ্ড তৈরি হওয়া।

মাসিকের ব্যথার সাধারণ উপসর্গ

মাসিকের ব্যথা সবার ক্ষেত্রে একরকম হয় না। পেটের নিচে খিঁচুনি বা ব্যথা সবচেয়ে সাধারণ উপসর্গ হলেও, মাসিকের অস্বস্তি শরীরের অন্য অংশেও প্রভাব ফেলতে পারে বা আরও কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে, যেমন:

  • পেটের নিচে খিঁচুনি বা ব্যথা
  • পিঠের নিচের অংশ বা উরুতে ছড়িয়ে পড়া ব্যথা
  • মাথাব্যথা
  • বমি বমি ভাব
  • পাতলা পায়খানা
  • ক্লান্তি বা দুর্বলতা
  • পেট ফাঁপা বা শরীরে সাধারণ অস্বস্তি

মাসিকের ব্যথা কমাতে ব্যবহৃত সাধারণ ওষুধের তালিকা

মাসিকের ব্যথা ও পেটের খিঁচুনি কমাতে বিভিন্ন ওষুধ ব্যবহার করা হয়। আপনার জন্য কোন ওষুধটি উপযুক্ত, তা নির্ভর করে ব্যথার তীব্রতা, আপনার শারীরিক প্রয়োজন, অ্যালার্জি এবং আপনি অন্য কোনো ওষুধ সেবন করছেন কি না তার ওপর।

মাসিকের ব্যথা ও পেটের খিঁচুনিতে সাধারণত ব্যবহৃত কিছু ওষুধের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

ওষুধ

ধরন

সাধারণ ব্যবহার

আইবুপ্রোফেন

ব্যথা ও প্রদাহ কমানোর ওষুধ

মাসিকের ব্যথা ও প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে

মেফেনামিক অ্যাসিড

ব্যথা ও প্রদাহ কমানোর ওষুধ

মাসিকের পেটের খিঁচুনি ও ব্যথা কমাতে সাহায্য করে

ন্যাপ্রোক্সেন

ব্যথা ও প্রদাহ কমানোর ওষুধ

ব্যথা এবং শরীরে ব্যথা তৈরিকারী উপাদানের কারণে হওয়া খিঁচুনি কমাতে সাহায্য করে

প্যারাসিটামল

ব্যথানাশক ওষুধ

হালকা মাসিকের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে

ডাইক্লোফেনাক

ব্যথা ও প্রদাহ কমানোর ওষুধ

সাময়িকভাবে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে

হায়োসিন বিউটাইলব্রোমাইড

খিঁচুনি কমানোর ওষুধ

জরায়ুর পেশি শিথিল করতে সাহায্য করে

ভারতে মাসিকের পেটের খিঁচুনি কমানোর সেরা ওষুধ

মাসিকের সময় তীব্র পেটের খিঁচুনি হলে অনেক অস্বস্তি হতে পারে এবং দৈনন্দিন কাজকর্মেও ব্যাঘাত ঘটতে পারে। 

জিল্যাব ফার্মেসিতে হালকা থেকে তীব্র মাসিকের ব্যথা কমাতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ওষুধ সাশ্রয়ী দামে পাওয়া যায়।

ওষুধের নাম

উপাদান

মেফ প্লাস ওষুধ

মেফেনামিক অ্যাসিড (৫০০ মিলিগ্রাম) + প্যারাসিটামল (৩২৫ মিলিগ্রাম)

আইবুপ্রোল ২০০ ওষুধ

আইবুপ্রোফেন (২০০ মিলিগ্রাম)

প্যারাজেক্স ৫০০ ওষুধ

প্যারাসিটামল (৫০০ মিলিগ্রাম)

ডিকামল ১০০ এসআর ওষুধ

ডাইক্লোফেনাক (১০০ মিলিগ্রাম) এসআর

বাসকোজি ১০ ওষুধ

হায়োসিন বিউটাইলব্রোমাইড (১০ মিলিগ্রাম)

ন্যাপ্রোজি ২৫০ ওষুধ

ন্যাপ্রোক্সেন (২৫০ মিলিগ্রাম)

মেফ প্লাস ওষুধ

মেফ প্লাস ওষুধে মেফেনামিক অ্যাসিড ও প্যারাসিটামল রয়েছে। এটি মাসিকের ব্যথা, পেটের খিঁচুনি এবং এর সঙ্গে হওয়া অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

  • উপাদান: মেফেনামিক অ্যাসিড (৫০০ মিলিগ্রাম) + প্যারাসিটামল (৩২৫ মিলিগ্রাম)
  • উপকারিতা: মাসিকের পেটের খিঁচুনি ও ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

আইবুপ্রোল ২০০ ওষুধ

আইবুপ্রোল ২০০ ওষুধে আইবুপ্রোফেন রয়েছে। এটি ব্যথা ও প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং মাসিকের ব্যথা ও পেটের খিঁচুনি উপশমে সহায়তা করতে পারে।

  • উপাদান: আইবুপ্রোফেন (২০০ মিলিগ্রাম)
  • উপকারিতা: মাসিকের পেটের খিঁচুনি, ব্যথা এবং প্রদাহের কারণে হওয়া অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

ন্যাপ্রোজি ২৫০ ওষুধ

ন্যাপ্রোজি ২৫০ ওষুধে ন্যাপ্রোক্সেন রয়েছে। এটি শরীরে ব্যথা তৈরিকারী উপাদানের উৎপাদন কমাতে সাহায্য করে এবং মাসিকের ব্যথা ও পেটের খিঁচুনি উপশমে সহায়তা করতে পারে।

  • উপাদান: ন্যাপ্রোক্সেন (২৫০ মিলিগ্রাম)
  • উপকারিতা: মাসিকের পেটের খিঁচুনি, ব্যথা এবং এর সঙ্গে হওয়া প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

প্যারাজেক্স ৫০০ ওষুধ

প্যারাজেক্স ৫০০ মাসিকের ব্যথা কমাতে ব্যবহার করা যেতে পারে। এই ওষুধের সক্রিয় উপাদান হলো প্যারাসিটামল। এটি মস্তিষ্কে পৌঁছানো ব্যথার সংকেত কমাতে সাহায্য করে এবং মাসিকের ব্যথা উপশমে সহায়তা করতে পারে।

  • উপাদান: প্যারাসিটামল ৫০০ মিলিগ্রাম
  • উপকারিতা: হালকা থেকে মাঝারি মাসিকের ব্যথা এবং এর সঙ্গে হওয়া অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

ডিকামল ১০০ এসআর ওষুধ

ডিকামল ১০০ এসআর মাসিকের সময় পেটের ব্যথা কমাতে ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে ডাইক্লোফেনাক রয়েছে, যা ব্যথা ও প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং মাসিক চলাকালীন চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করা যেতে পারে।

  • উপাদান: ডাইক্লোফেনাক (১০০ মিলিগ্রাম) এসআর
  • উপকারিতা: মাসিকের কারণে হওয়া ব্যথা ও প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।

বাসকোজি ১০ ওষুধ

বাসকোজি ১০ ওষুধে হায়োসিন বিউটাইলব্রোমাইড রয়েছে। এটি মাসিকের ব্যথায় পেটের খিঁচুনি কমাতে ব্যবহার করা হয়। এটি জরায়ুর পেশি শিথিল করতে এবং মাসিকের সময় হওয়া খিঁচুনি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

  • উপাদান: হায়োসিন বিউটাইলব্রোমাইড (১০ মিলিগ্রাম)
  • উপকারিতা: মাসিকের সঙ্গে হওয়া খিঁচুনির মতো পেটের অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

মাসিকের পেটের খিঁচুনির জন্য কখন ওষুধ সেবন করবেন?

মাসিকের ব্যথার ওষুধ পেটের খিঁচুনি শুরু হলে সেবন করা যেতে পারে। আপনার মাসিক নিয়মিত হলে, খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রত্যাশিত মাসিক শুরু হওয়ার ১–২ দিন আগেও কিছু ওষুধ শুরু করা যেতে পারে।

ওষুধ সেবনের সঠিক সময় নির্দিষ্ট ওষুধ এবং আপনার শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারিত মাত্রা মেনে চলুন এবং কোনো বিষয়ে নিশ্চিত না হলে চিকিৎসক বা ওষুধ বিক্রেতার পরামর্শ নিন।

আরও পড়ুন: মাসিক দেরি হলে দ্রুত মাসিক আনার জন্য কোন ওষুধ ব্যবহার করা হয়?

মাসিকের পেটের খিঁচুনির ওষুধ কীভাবে কাজ করে?

ওষুধের ধরন অনুযায়ী মাসিকের ব্যথার বিভিন্ন ওষুধ আলাদাভাবে কাজ করে:

  • ব্যথা ও প্রদাহ কমানোর ওষুধ: আইবুপ্রোফেন, ন্যাপ্রোক্সেন এবং মেফেনামিক অ্যাসিডের মতো ওষুধ শরীরে ব্যথা তৈরিকারী উপাদানের উৎপাদন কমাতে সাহায্য করে। এর ফলে জরায়ুর সংকোচন ও মাসিকের পেটের খিঁচুনি কমতে পারে।
  • ব্যথানাশক ওষুধ: প্যারাসিটামলের মতো ওষুধ মূলত ব্যথার সংকেত কমাতে সাহায্য করে এবং হালকা মাসিকের ব্যথা উপশমে সহায়তা করতে পারে।
  • খিঁচুনি কমানোর ওষুধ: এই ধরনের ওষুধ পেশি শিথিল করে খিঁচুনির মতো পেটের অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

মাসিকের ব্যথার ওষুধ কীভাবে নিরাপদে সেবন করবেন?

মাসিকের খিঁচুনি কমানোর বেশিরভাগ ওষুধ অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই সেবন করেন। এর ফলে ওষুধ ভুলভাবে ব্যবহারের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

এটি এড়াতে নিচের সতর্কতাগুলো মেনে চলুন:

  • ওষুধের নির্ধারিত মাত্রা ও সেবনের সময় মেনে চলুন।
  • চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া একসঙ্গে দুটি ভিন্ন ধরনের ব্যথা ও প্রদাহ কমানোর ওষুধ সেবন করবেন না।
  • একাধিক উপাদানযুক্ত ওষুধ সেবনের আগে এর উপাদানগুলো দেখে নিন, যাতে একই ওষুধ দুবার সেবন না হয়ে যায়।
  • আপনি অন্য কোনো ওষুধ সেবন করলে এবং আপনার আগের কোনো শারীরিক সমস্যা থাকলে চিকিৎসককে জানান। বিশেষ করে পেটে ঘা, কিডনির সমস্যা, হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যা, যকৃতের সমস্যা বা হাঁপানি থাকলে অবশ্যই জানান।

মাসিকের ব্যথার ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী কী?

নির্দেশনা অনুযায়ী সেবন করলে বেশিরভাগ মাসিকের ব্যথার ওষুধ সাধারণত ভালোভাবে সহ্য করা যায়। তবে ওষুধের ধরন, মাত্রা এবং আপনার শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে।

মাসিকের ব্যথার ওষুধের সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে:

  • বদহজম বা পেটে অস্বস্তি
  • বমি বমি ভাব বা বমি
  • পাতলা পায়খানা বা কোষ্ঠকাঠিন্য
  • মাথাব্যথা
  • ত্বকে ফুসকুড়ি

কোনো ওষুধ সেবনের পর গুরুতর বা অস্বাভাবিক কোনো উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ওষুধ ছাড়া মাসিকের ব্যথা কীভাবে কমাবেন?

হালকা থেকে মাঝারি পেটের খিঁচুনির ক্ষেত্রে কিছু সহজ যত্নের উপায় মাসিকের ব্যথা ও অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে। আপনি চেষ্টা করতে পারেন:

  • পেটের নিচের অংশে গরম সেঁক দিন।
  • গরম জলে স্নান করুন।
  • হালকা হাঁটাহাঁটি বা শরীর টানটান করার ব্যায়াম করুন।
  • পেটের নিচের অংশ বা পিঠে হালকা মালিশ করুন।
  • পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুম নিন।
  • ধ্যানের মতো মন শান্ত রাখার কিছু পদ্ধতি অনুশীলন করুন।
  • পর্যাপ্ত জল পান করুন এবং নিয়মিত খাবার খান।
  • আদা বা ক্যামোমাইল দিয়ে তৈরি গরম পানীয়ও কিছুটা উপকার করতে পারে।

মাসিকের ব্যথার জন্য কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

মাসিকের সময় ব্যথা হওয়া সাধারণ বিষয়। তবে খুব বেশি, ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা বা অস্বাভাবিক ধরনের পেটের খিঁচুনির ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে। 

নিচের কোনো সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন:

  • আপনার ব্যথা অসহ্য হয়ে ওঠে বা ক্রমশ বাড়তে থাকে।
  • ব্যথার ওষুধ ও নিজের যত্ন নেওয়ার পরও ব্যথা কমে না।
  • মাসিকের সময় অতিরিক্ত বা অনিয়মিত রক্তপাত হয়।
  • সহবাসের সময়, প্রস্রাব করার সময় বা পায়খানা করার সময় ব্যথা হয়।
  • অস্বাভাবিক যোনিপথের স্রাব বা তলপেটে ব্যথা দেখা দেয়।
  • মাসিক দেরি হয়েছে এবং গর্ভধারণের সম্ভাবনা রয়েছে।

উপসংহার

মাসিকের ব্যথা ও পেটের খিঁচুনি অনেক সময় উপযুক্ত ওষুধ এবং নিজের যত্ন নেওয়ার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। জিল্যাব ফার্মেসি-তে মাসিকের ব্যথা উপশমের জন্য বিভিন্ন ধরনের ওষুধ পাওয়া যায়।

তবে সবার জন্য একই ওষুধ উপযুক্ত নাও হতে পারে। নির্ধারিত মাত্রা মেনে ওষুধ সেবন করুন, অন্য ওষুধের সঙ্গে কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা আছে কি না তা খেয়াল করুন এবং ব্যথা তীব্র, দীর্ঘস্থায়ী বা দৈনন্দিন কাজকর্মে বাধা সৃষ্টি করলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Frequently Asked Questions (FAQs)

Q1. মাসিকের ব্যথা ও পেটের খিঁচুনির জন্য কোন ওষুধ সবচেয়ে ভালো?

Ans.আইবুপ্রোফেন, মেফেনামিক অ্যাসিড এবং ন্যাপ্রোক্সেন মাসিকের ব্যথা ও পেটের খিঁচুনিতে সাধারণত ব্যবহার করা হয়। আপনার উপসর্গ, শারীরিক অবস্থা, অ্যালার্জি এবং আপনি অন্য কোনো ওষুধ সেবন করছেন কি না, তার ওপর উপযুক্ত ওষুধ নির্ভর করে।

Q2. মাসিকের পেটের খিঁচুনির জন্য কি ব্যথার ওষুধ সেবন করা যায়?

Ans.হ্যাঁ, আইবুপ্রোফেন, মেফেনামিক অ্যাসিড, ন্যাপ্রোক্সেন বা প্যারাসিটামলের মতো ব্যথার ওষুধ নির্দেশনা অনুযায়ী সেবন করলে মাসিকের পেটের খিঁচুনি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

Q3. মাসিকের ব্যথার ওষুধ কি নিরাপদ?

Ans.নির্দেশনা অনুযায়ী সেবন করলে মাসিকের ব্যথার ওষুধ নিরাপদ হতে পারে। তবে কিছু শারীরিক সমস্যা, অ্যালার্জি থাকলে বা অন্য কোনো ওষুধ সেবন করলে নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ আপনার জন্য উপযুক্ত নাও হতে পারে।

Q4. মাসিকের ব্যথার জন্য কি আইবুপ্রোফেন সেবন করা উচিত?

Ans.আইবুপ্রোফেন শরীরে ব্যথা তৈরিকারী উপাদানের উৎপাদন কমিয়ে মাসিকের ব্যথা ও পেটের খিঁচুনি উপশমে সাহায্য করতে পারে। নির্ধারিত মাত্রা মেনে সেবন করুন এবং এটি আপনার জন্য উপযুক্ত কি না জানতে চিকিৎসক বা ওষুধ বিক্রেতার পরামর্শ নিন।

Q5. প্যারাসিটামল কি মাসিকের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে?

Ans.হ্যাঁ, প্যারাসিটামল হালকা মাসিকের ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে মাসিকের পেটের খিঁচুনিতে ব্যথা ও প্রদাহ কমানোর ওষুধ বেশি উপশম দিতে পারে।

Q6. মাসিকের ব্যথার ওষুধ কাজ করতে কতক্ষণ সময় নেয়?

Ans.কোন ওষুধ কত দ্রুত কাজ করবে, তা ওষুধের ধরন এবং ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। ওষুধের নির্দেশনা ও নির্ধারিত মাত্রা মেনে চলুন।

Q7. মাসিকের ব্যথার ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী কী?

Ans.সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে পেটে অস্বস্তি, বদহজম, বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরা থাকতে পারে। ব্যথা ও প্রদাহ কমানোর কিছু ওষুধ পেটে জ্বালা সৃষ্টি করতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

Q8. মানসিক চাপ কি মাসিকের ব্যথা বাড়াতে পারে?

Ans.হ্যাঁ, মানসিক চাপ ব্যথার প্রতি সংবেদনশীলতা ও মাসিকের সময় হওয়া অস্বস্তি বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে মাসিকের ব্যথা আরও বেশি মনে হতে পারে।

Q9. ওষুধ ছাড়া মাসিকের ব্যথা কীভাবে কমানো যায়?

Ans.পেটের নিচের অংশে গরম সেঁক দেওয়া, গরম জলে স্নান করা, হালকা হাঁটাহাঁটি বা শরীর টানটান করার ব্যায়াম, মালিশ, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং মন শান্ত রাখার কিছু পদ্ধতি ওষুধ ছাড়াই মাসিকের ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

Q10. মাসিকের ব্যথার ওষুধ কখন সেবন করা উচিত?

Ans.পেটের খিঁচুনি শুরু হলে মাসিকের ব্যথার ওষুধ সেবন করা যেতে পারে। মাসিক নিয়মিত হলে, কিছু ওষুধ প্রত্যাশিত মাসিক শুরু হওয়ার ১–২ দিন আগেও সেবন করা যেতে পারে। নির্ধারিত মাত্রা মেনে চলুন।

Recent Blogs


Disclaimer : Zeelab Pharmacy provides health information for knowledge only. Do not self-medicate. Always consult a qualified doctor before starting, stopping, or changing any medicine or treatment.


medicine cart

₹ 0

0

Items added


2026 Copyright By © Zeelab Pharmacy Private Limited. All Rights Reserved

Our Payment Partners

card
correct iconAdded!